"> যারা আল্লাহকে মহব্বত করে তাদের জন্য রয়েছে আল্লাহর মহব্বতের প্রাচুর্য – ফোরক্বান মিডিয়া
ফোরক্বান মিডিয়া
ফোরক্বান মিডিয়া

যারা আল্লাহকে মহব্বত করে তাদের জন্য রয়েছে আল্লাহর মহব্বতের প্রাচুর্য

  • পোস্টটি প্রকাশিত হয়েছে - 11 September, 2019, Wednesday
  • 93 বার দেখা হয়েছে
  • ফোরকান মিডিয়া ডটকম:- যারা খোদাকে মহব্বত করে তাদের জন্য রয়েছে খোদার মহব্বতের প্রাচুর্য৷

    কেউ যদি খোদাকে মহব্বত করে এবং তাকে সম্মান দেয় তবে সে তাঁর বাক্য নিয়ে ধ্যান করবে এবং তাঁর শক্তির ছায়াতলে জীবন-যাপন করবে৷ যে কেউ তার অনুকম্পার গভীরতা অনুধাবন করতে পারে, আমাদের তরফ থেকে অনবরত ধন্যবাদ জানাচ্ছি তার নাজাতপ্রাপ্তি ও ধৈর্যের জন্য৷ আমরা অনর্গল আমাদের মহব্বত তাকে জ্ঞাপন করছি, এবং হৃষ্ট চিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছি৷ কৃতজ্ঞ ইমানদার গুপ্তধন খুঁজে পায়, শক্তি সামর্থ লাভ করে৷ আশির্বাদ ও নির্দেশনা লাভ করে খোদার কালামে, তার নিত্যদিনের জীবনের জন্য৷ যখন কোনো বিবাহিতা কণে তার বরের কাছ থেকে প্রেমপত্র পেয়ে তা খুললো না, পড়লো না, কোথাও ফেলে রাখলো, হারিয়ে গেলো এবং উক্ত পত্রের বিষয় বেমালুম ভুলে গেলো, উক্ত কণের বিষয়ে আপনার কী ধারণা জন্মাবে? আমরা পরিষ্কারভাবে বলবো, উক্ত কণে বরকে আদৌ ভালোবাসেনা৷ কিন্তু একজন বিশ্বস্ত কনে অস্থিরভাবে অপেক্ষাতে থাকে তার বরের পত্রের জন্য৷ যখনই সে পত্র পেয়ে যায় সাথে সাথে সে খুলে পাঠ করে পুনঃপুনঃ পত্রে ২/৪টি স্থান নিয়ে ভাবতে থাকে এবং বিশেষ বিশেষ স্থান তার মুখস্ত হয়ে যায়, কখনোই মুছে যায় না৷ আমরা যখন খোদাকে মহব্বত করি তখন আমরা তার কালাম অধ্যয়ন করি, যেমন আমাদের কাছে তা প্রেমপত্র যা লেখা হয়েছে ব্যক্তিগতভাবে খোদ বেহেশত থেকে৷ তাই সবসময় আমরা তা পাঠ করি এবং কতিপয় অংশ হাইলাইট অর্থাত্‍ বিশেষ গুরুত্বারোপ করে রাখি৷ আমাদের হৃদয় খোদার কালামে থাকে পরিপূর্ণ৷ ফলে আমরা শক্তিলাভ করে থাকি তাঁর আজ্ঞামাফিক জীবন যাপন করার জন্য৷

    পিতামাতা পরিবারের জন্য যখন মুনাজাত করেন তখন পরিবারের সদস্য সকলে আশির্বাদে পুষ্ট হয়৷ উক্ত পরিবারের সন্তানগণ খোদাদ্রোহী হতে পারে না আর ভিন্নমতাবলম্বীও হয় না, পরিবর্তে তাদের প্রবৃদ্ধি শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়৷ অবশ্য পিতামাতা গায়ের জোরে সন্তানদের মসিহি বিশ্বাসী হিসেবে গড়তে পারে না৷ দুষ্টতা থেকে তাদের ফেরাতে শাস্তিও দিতে হয়৷ স্নেহময়ী পিতামাতা ধীরে ধীরে তাদের সন্তানদের বিবেকের কাছে সত্য তুলে ধরে এবং ক্রমান্বয়ে তাদের শিক্ষা দিয়ে থাকে৷ শিশুরা পিতামাতার আচরনের বিষয় মনে রাখে, যতোটা তাদের বাক্য মনে রাখে না৷ কখনো কখনো মায়ের মুখের চেয়ে চোখ থাকে সন্তানদের কাছে শক্ত কথা বলে৷ আর তার মহব্বত কবরের পরেও পেঁৗছে যায়৷

    খোদা প্রতিজ্ঞা করেছেন তাদের জন্য, যারা তাকে মহব্বত করে, তাদের সহস্র বত্‍সর বংশ বংসানুক্রমে আশির্বাদ দান করবেন৷ এ প্রতিজ্ঞা একটি বড় ধরণের স্বান্ত্বনা তাদের জন্য যারা এই মিথ্যাচারের প্রলোভনের রাজ্যে সন্তান সন্তুতিদের মানুষ করতে চান৷ অন্ধকারের মধ্যে সূর্যের আলো ভেদ করে, যেভাবে পেঁৗছে যায় ঠিক তেমনি খোদার মহব্বতের ক্ষমতা অবিশ্বাসের দেয়াল ভেদ করে হৃদয়ে পৌছে যায়৷ রুহানি উত্তরধিকার বহুগুনে বাড়তে থাকে যখন পিতামাতা প্রার্থনাশীল জীবন যাপন করেন৷

    সহস্র বংশ হতে কতোটা সময়ের প্রয়োজন পড়ে তা কি আপনি হিসেব কষেছেন? ধরে নেই, ২৫ বত্‍সর করে এক একটি প্রজন্ম হতে প্রয়োজন তবে সহস্র প্রজন্মে মোট সময়টা দাঁড়ায় ২৫০০০ বত্‍সর ধরে চলতে থাকবে খোদার রহমতের প্রাচুর্য মাত্র একজন বিশ্বাসীর কারণে৷ আর যদি নাতি-নাতনি নিয়ে এক একটি পরিবার ধরা হয়ে থাকে খোদা আরও প্রতিজ্ঞা করেছেন তাঁর মনোনীত ভক্তবৃন্দদের কাছে, প্রত্যেক নিবেদিত ঈমানদার প্রেম, রহমত ও আশির্বাদের উত্‍সর হবে একশত লোকের জন্য৷ ঈসা মসিহের অনুসারী কখনোই দাবী করে না যে সে নিজেই রহমতের উত্‍স ধারা বরং অকপটে স্বীকার করেন তিনি প্রবাহ ধারার বাহক মাত্র৷ খোদা তাঁর অফুরান রহমত থেকে শর্তহীনভাবে প্রচুর পরিমানে তাদের উপর প্রবাহিত করে যারা তাকে মহব্বত করে ও আস্থা রাখে৷

    আমরা যদি আমাদের জাগতিক ও রুহানি পিতামাতার আশির্বাদের প্রভাবের কথা বিবেচনা করি তবে বিশ্বের নানা ধরণের কৃষ্টির পার্থক্যটা বুঝতে পারব৷ যে কোনো গ্রাম বা শহর অথবা জনগোষ্টি যেখানে শত বত্‍সর পূর্বে প্রভুর বাক্য প্রচারিত ও গ্রীহিত হয়েছে ঐসব এলাকার চেহারা দেখলেই পার্থক্যটা সহজেই প্রতীয়মান হবে৷ মসিহের দ্বারা যে জাতি নাজাত পেয়েছে, মুক্ত হয়েছে পাপের গোলামি হতে, তারাই ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও পরষ্পরকে সেবা করে৷ খোদা যখন পাকরূহের দ্বারা কাউকে প্রভাবিত করেন তখন তাদের পরিবার, স্কুল, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং রাজনৈতিক দিকগুলো এতটাই প্রভাবিত হয় যা আমরা ভাবতেও পরি না৷

    বিপরীতক্রমে যে সকল দেশ রক্তে রঞ্জিত রক্তপিপাশু দেবতাদের পূজায় থাকে নিবেদিত৷ যেমন ভারতবর্ষ অথবা পূর্বপুরুষদের পূজারী যেমন চীন এবং আফ্রিকা, যেখানে প্রতীমা পূজা ও যাদু বিদ্যার উপর নির্ভরশীল, এরাই তাদের হেফাজত করে থাকে৷ এই লোকজন ও সমাজ সদা ভীত থাকে এবং ভয় তাদের প্রভাব বলয়ে ধরে রেখেছে; ভয়, দাসত্ব স্বভাব ও দুশ্চিন্তা৷ পুরুষ শাসিত সমাজে মহিলাদের ইজ্জ্বত ধুলোয় মিশিয়ে দেয়া হয়৷ গোষ্টিগত যুদ্ধ অগ্রগতি বাধাগ্রস্থ করে৷ গরীব আরো গরীব হয়৷ আপনি যদি হিন্দু, মুসলিম ও মসিহি গ্রামে প্রবেশ করেন তবে দেখামাত্র ওখানকার রুহানি পরিবেশ সম্বন্ধে এক নজরে দেখতে পাবেন৷ জীব জানোয়ারগুলোও বুঝতে পারে তাদের নির্দয়ভাবে পেটানো হচ্ছে না স্বাভাবিক আচরণ করা হচ্ছে৷

    W o l

    

    অ্যাকাউন্ট প্যানেল

    আমাকে মনে রাখুন

    আর্কাইভ

    February 2020
    S S M T W T F
    « Dec    
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728
    29